ইসলামবিরোধী মুসল্লি


ইসলামবিরোধী মুসল্লি

-মুহাম্মদ দিদারুল আলম

=======================

মুসল্লি, সালাত আদায়কারী


স্পর্শকাতর শিরোনামটি দেখে অনেকে ভাববে হয়তো কোন নাস্তিক ব্লগারের লেখা। কথায় বলে ‘ঘরপোড়া গরু সিঁদুরে মেঘ দেখলেই ভয় পায়’। মুসল্লি আবার ইসলামবিরোধী হয় কি করে? কারন মুসল্লি মানে সালাত আদাকারী। একজন মুসল্লি তো মুসলমানই হয়ে থাকেন এবং তিনি ইসলাম মানেন বলেই তো সালাত আদায় করেন। এতটুক সহজ কথা কে না বোঝে?

 

কোন ব্যক্তির মধ্যে একাধিক চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য (দোষ/গুণ) বিদ্যমান থাকলে আমরা তার সবচেয়ে ভাল বা সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বা সবচেয়ে প্রকাশ্য কিংবা সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক বিশেষণটির কথাই আগে বলি এবং এই বিশেষণেই তাকে সম্বোধন করে থাকি। যেমন অমুক খুবই ভদ্র লোক বা অমুক  অত্যন্ত পরোপকারি মানুষ। আবার কারো মধ্যে থাকা উল্লেখযোগ্য একাধিক গুণ বা বৈশিষ্ট্য একসাথেও উল্লেখ করি। যেমন: তিনি দানশীল বিত্তশালী লোক, একজন ভদ্র জ্ঞানী মানুষ, দুনিয়াবিমূখ নিঃস্বার্থ  ধার্মিক লোক। একইভাবে দোষ বা মন্দ বৈশিষ্ট্যধারীর ক্ষেত্রেও তাই করি। যেমন সে একজন লম্পট বদমাইশ লোক, দূর্বল কাপুরুষ সৈনিক, মূর্খ হিংসুটে মানুষ, বে-আক্কেল বেহায়া নারী ইত্যাদি । কিন্তু সমস্যা হল যখন কোন ব্যক্তির মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভালো ও খারাপ দু’টি বিশেষণের প্রকাশ্য সমাহার দেখা যায় তখন ব্যাপারটা একটু গোলমেলে হয়ে যায়। কারো চরিত্রে ভালো ও খারাপ দু’টি  বিপরীত বৈশিষ্ট্য সমান্তরাল বিদ্যমান থাকলে সাধারণত উভয়টির একসাথে সম্বোধন বা ব্যাবহার খুব একটা হয় না। যেমন কোন অসৎ লোক দানশীল হয়ে থাকলে তাকে অসৎ দানবীর বলা  এবং এভাবে নির্দয় প্রেমিক স্বামী, অসৎ পরোপকারি প্রতিবেশি ইত্যাদির ব্যবহার তেমন দেখা যায় না।

 

প্রচলিত ধর্মীয় পরিভাষায় যে রোজা রাখে সে রোজাদার, যে হাজ্জ্ব করে সে হাজি, যে জিহাদ করে সে জিহাদি, যে দাওয়াত দেয় সে মুবাল্লিগ, যে নামাজ পড়ে সে নামাজি (মুসল্লি- সালাত আদায়কারী)। এভাবে যে শিরক করে সে মুশরিক, যে বিদআত করে সে বিদআতী, যে কুফরি করে সে কাফির, যার মধ্যে নিফাক রয়েছে সে মুনাফিক। এভাবে যে ব্যক্তি ইসলামের বিরোধীতা করে সে স্বাভাবিকভাবে ’ইসলামবিরোধী’ আখ্যা পাবে। তাই ইসলামের বিধিবিধানের যেকোন বিরোধীতাকারীকে ইসলামবিরোধী বিশেষণে বিশেষিত করাতে সমস্যা নেই।

 

কেউ যখন একই সাথে ইসলামের একটি বিধানের প্রতিপালন ও আরেকটি বিধানের অগ্রাহ্য বা বিরোধীতা করে, তার সঠিক পরিচিতি তোলে ধরা ও বিশ্লেষণের সুবিধার্থে ঐ দু’টি বৈশিষ্ট্য (প্রতিপালন ও অগ্রাহ্য) একত্রে নিয়ে একটি বিশেষণাত্মক শব্দগুচ্ছ তার প্রতি আরোপ করা যেতে পারে। তাই যে লোক সালাত আদায় করে সে ‘মুসল্লি’ তাতে কোন সন্দেহ নেই। আবার ঐ একই লোক যদি সালাত আদায়ের পাশাপাশি ইসলামের বিরোধীতাও করে তাকে ’ইসলামবিরোধী মুসল্লি’ বললে ব্যবহারিক ও ভাষাগত অশুদ্ধ হবে না। এ পরিভাষার ব্যবহার সাধারণত না থাকলেও আমাদের সমাজে এ ধরনের  ’ইসলামবিরোধী মুসল্লি’-র কিন্তু অভাব নেই। তারা সালাত আদায় করে সাথেসাথে ইসলামের মৌলিক অনেক বিষয়ের  বিরোধীতাও করে। ইসলামের বিরোধীতা এদের কেউ বুঝে করে কেউ না বুঝে করে।

 

তাই নামাজ পড়ে পাক্কা মুসল্লি হওয়ার পরও অনেক মুসলমান ইসলামবিরোধীতায় লিপ্ত থাকে। যেমন  আল্লাহর ভাষায় অনেক মানুষ ঈমান আনা সত্ত্বেও ঈমানদার নয়:

 وَ مِنَ النَّاسِ مَنۡ یَّقُوۡلُ اٰمَنَّا بِاللّٰهِ وَ بِالۡیَوۡمِ الۡاٰخِرِ وَ مَا هُمۡ بِمُؤۡمِنِیۡنَ

আর মানুষের মধ্যে এমন লোক আছে যারা বলে, আমরা আল্লাহর উপর এবং শেষ দিনের উপর ঈমান এনেছি, অথচ তারা মোটেই ঈমানদার নয়। (সুরা বাকারা- 8)


যে কেউ ঈমান আনলে সে ঈমানদার হয় আবার কেউ শিরক করলে সে মুশরিক হয়ে যায়। মহান আল্লাহর কথানুযায়ী মুসলমানদের অধিকাংশ ঈমান আনার পরও মুশরিক থেকে যায়। যেমন আল্লাহ বলেন:

وَ مَا یُؤۡمِنُ اَکۡثَرُهُمۡ بِاللّٰهِ اِلَّا وَ هُمۡ مُّشۡرِکُوۡنَ 

অধিকাংশ লোক আল্লাহর উপর ঈমান আনা সত্ত্বেও মুশরিক। (সুরা ইউসুফ- 106)


ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা। মানবজীবনের সকল বিষয়ের পথনির্দেশনা ইসলামে রয়েছে।

وَ نَزَّلۡنَا عَلَیۡکَ الۡکِتٰبَ تِبۡیَانًا لِّکُلِّ شَیۡءٍ وَّ هُدًی وَّ رَحۡمَۃً وَّ بُشۡرٰی لِلۡمُسۡلِمِیۡنَ

আর আমি তোমার উপর কিতাব নাযিল করেছি প্রতিটি বিষয়ের স্পষ্ট বর্ণনা, হিদায়াত, রহমত ও মুসলিমদের জন্য সুসংবাদস্বরূপ। (নাহাল- 89)।


তাই একটি বিরাট সংখ্যক অসচেতন মুসলমান সালাত আদায় করে মুসল্লি হওয়ার পরও ইসলামের রাজনীতি, ইসলামের অর্থনীতি, ইসলামের সমাজনীতি, ইসলামের আইন ও বিচার ব্যবস্থা, ইসলামের জিহাদ বা যুদ্ধনীতি ইত্যাদি অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের বিরোধীতা করে বলে তারা ’ইসলামবিরোধী মুসল্লি’ বা ইসলামবিরোধী মুসলমান। কী সাংঘাতিক কথা! তারা অজ্ঞতাবশত ইসলামের রাজনীতি, শাসনব্যবস্থা, অর্থব্যস্থা, সমরনীতি, বিচারব্যাবস্থা, শিক্ষানীতি, ব্যবাসা-বাণিজ্য ও মুয়ামেলাত-সহ জীবনের ব্যাপক পরিমন্ডলে আল্লাহরপ্রদত্ত সকল বিধিবিধান অমান্য ও অস্বীকার করে থাকে।

 

সালাত আদায় করা মহান আল্লাহর নির্দেশ- ফরযিয়্যাত। পবিত্র কুরআনে বহুবার সালাতের তাগিদ দেয়া হয়েছে। ইচ্ছাকৃত সালাত পরিত্যাগকারীকে হাদিসে কাফির বলা হয়েছে। সালাতের নিয়মপদ্ধতি নিয়ে আলিমসমাজ ও মাজহাবে অনেক বিতর্ক থাকলেও সব বিতর্কের উর্ধ্বে গিয়ে এই ফরজ আমল সম্পাদনকারীকে আমরা নির্দ্বিধায় ’মুসল্লি’ বলি। আবার ইকামাতে দ্বীন তথা সমাজ ও রাষ্ট্রে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করাও আল্লাহর নির্দেশ। সালাতের মত ইসলাম প্রতিষ্ঠার পথ ও পদ্ধতি নিয়েও আলিমগণের মধ্যে বিভিন্ন মত রয়েছে। পথ ও পদ্ধতি নিয়ে মতের ভিন্নতা থাকলেও ইসলাম প্রতিষ্ঠার  এ  কাজটিও একটি ফরজ দায়িত্ব। যে মহান আল্লাহ সালাতের নির্দেশ দিয়েছেন ঐ একই আল্লাহ সমাজে তার দ্বীন প্রতিষ্ঠারও নির্দেশ দিয়েছেন। নবী রাসুলগণ জীবদ্দশায় তা-ই করে গেছেন এবং মানুষকে এই শিক্ষাই দিয়েছেন। কেউ ইচ্ছে করলে রোজা রাখবে কিন্তু নামাজ পড়বে না, কোরবানি করবে কিন্তু যাকাত দিবে না, কিংবা পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের মধ্যে তিন ওয়াক্ত পড়বে বাকী দুই ওয়াক্ত পড়বে না- এরূপ স্বাধীনতা যেমন কোন মুসলমানের নেই তদ্রুপ আল্লাহর একটি ফরজ বিধান (সালাত) আদায় করবে কিন্তু আরেকটি ফরজ বিধান (ইকামাতে দ্বীনের কাজ) আস্বীকার করবে এরূপ স্বাধীনতাও কারো নেই। মহান আল্লাহ বলেন:

أَفَتُؤْمِنُونَ بِبَعْضِ الْكِتَابِ وَتَكْفُرُونَ بِبَعْضٍ فَمَا جَزَاء مَن يَفْعَلُ ذَلِكَ مِنكُمْ إِلاَّ خِزْيٌ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَيَوْمَ الْقِيَامَةِ يُرَدُّونَ إِلَى أَشَدِّ الْعَذَابِ

তবে কি তোমরা কিতাবের কিছু অংশে ঈমান আন এবং কিছু অংশে কুফরী কর? তাহলে তোমাদের যারা এরূপ করে তাদের একমাত্র প্রতিফল দুনিয়ার জীবনে লাঞ্চনা ও অপনমান এবং কেয়ামতের দিন তাদের কে ফিরিয়ে নেয়া হবে কঠিনতম শাস্তির দিকে। (বাকারা -85)

 

অত্যন্ত দূর্ভাগ্য ও পরিতাপের বিষয় হল আমাদের সমাজে আজ অধিকাংশ মুসলমান নামাজই পড়ে না। যারা নামাজ পড়ে তারাও সহীহ-শুদ্ধরূপে রাসুল (সা:) এর দেখানো পদ্ধতিতে পড়ে না। আবার নামাজি বা মুসল্লিগণের অধিকাংশই জেনে হউক বা না জেনে হউক ইকামাতে দ্বীন তথা আল্লাহর যমিনে আল্লাহর বিধান প্রতিষ্ঠার কাজে নিজেকে সম্পৃক্ত করা জরুরী মনে করে না বা একে কোন দ্বীনি কাজ মনে করে না। এই ফরজ দায়িত্বের জন্য যে ক্বিয়ামত দিবসে আল্লাহর দরবারে কঠিন জবাবদিহী করতে হবে তা তারা বুঝতেই চায় না। শুধু তাই নয়, ইসলাম প্রতিষ্ঠার কাজকে তারা নিছক রাজনীতি মনে করে আবার অনেকে এমনকি এটাকে একটা দুনিয়াদারী বা গুণাহের কাজও মনে করে থাকে। অথচ আল্লাহ কুরআনুল করীমে অসংখ্যবার জিহাদ ও ইসলাম কায়েমের জন্য জোর তাগিদ দিয়েছেন। আল্লাহ তা’লা বলেন:

اَنۡ اَقِیۡمُوا الدِّیۡنَ ولَا تَتَفَرَّقُوۡا فِیۡهِ ؕ

তোমরা দ্বীন কায়েম করবে এবং এতে বিচ্ছিন্ন হবে না (শুরা- 13)।


وَقَاتِلُوهُمْ حَتَّىٰ لَا تَكُونَ فِتْنَةٌ وَيَكُونَ الدِّينُ كُلُّهُ لِلَّهِ

আর তোমরা তাহাদের বিরুদ্ধে সেই পর্যন্ত যুদ্ধ করতে থাক, যে পর্যন্ত না তাহাদের হতে ফেতনা (শিরক) বিলুপ্ত হয়ে যায় এবং (তাদের) ধর্ম (কেবল) আল্লাহ্ তাআলার হয়ে যায়। (আনফাল- 39)।


وَ مَا لَکُمۡ لَا تُقَاتِلُوۡنَ فِیۡ سَبِیۡلِ اللّٰهِ وَ الۡمُسۡتَضۡعَفِیۡنَ مِنَ الرِّجَالِ وَ النِّسَآءِ وَ الۡوِلۡدَانِ الَّذِیۡنَ یَقُوۡلُوۡنَ رَبَّنَاۤ اَخۡرِجۡنَا مِنۡ هٰذِهِ الۡقَرۡیَۃِ الظَّالِمِ اَهۡلُهَا ۚ وَ اجۡعَلۡ لَّنَا مِنۡ لَّدُنۡکَ وَلِیًّا ۚۙ وَّ اجۡعَلۡ لَّنَا مِنۡ لَّدُنۡکَ نَصِیۡرًا 

আর তোমাদের কী হল যে, তোমরা আল্লাহর রাস্তায় লড়াই করছ না! অথচ দুর্বল পুরুষ, নারী ও শিশুরা বলছে, ‘হে আমাদের রব, আমাদেরকে বের করুন এ জনপদ থেকে যার অধিবাসীরা যালিম এবং আমাদের জন্য আপনার পক্ষ থেকে একজন অভিভাবক নির্ধারণ করুন। আর নির্ধারণ করুন আপনার পক্ষ থেকে একজন সাহায্যকারী।’ (নিসা- 75)।




এভাবে আলকুরআনে সরাসরি জিহাদ বা "আল্লাহ পথে সংগ্রাম করা" কথাটিব্যবহৃত হয়েছে ৪১ বার ।

 

আল্লাহর রাসুল (সা:) তার সাহাবাগণকে নিয়ে সারাজীবন সংগ্রাম করে গেছেন সমাজ ও রাষ্ট্রের সর্বত্র  আল্লাহর গোলামী ও ইসলামি জীবনবিধান পরিপূর্ণরূপে প্রতিষ্ঠা করার জন্য এবং এ জন্য স্বয়ং রাসুল (সা:) ও তাঁর সাহাবাগণকে বহু রক্তক্ষয়ী জিহাদের সম্মূখীন হতে হয়েছিল। রাসুলুল্লাহ (সা:)-র প্রতিষ্ঠিত সেই ইসলামি রাষ্ট্রের তিনিই ছিলেন প্রধান। পরবর্তীতে সেই ইসলামি রাষ্ট্রের কর্নধার হয়েছিলেন হযরত আবুবকর (রা:), হযরত উমর (রা:), হযরত উসমান (রা:) ও হযরত আলী (রা:) প্রমূখ জগদ্বিখ্যাত সাহাবাগণ। খোলাফায়ে রাশেদার সে ইসলামি শাসনামলটা ছিলো মানবেতিহাসের স্বর্নযুগ।

 

ইসলাম এসেছে বিশ্বমানবতাকে সকল ধরনের স্বৈরশাসন, দূর্নীতি, জুলুম-নিপীড়ন, ক্ষুধা-দারিদ্রের কবল থেকে মুক্তি দিয়ে একটি সুখী, নিরাপদ ও শান্তির সমাজ উপহার দেয়ার জন্য। বাস্তবে খোলাফায়ে রাশেদার যুগে সেধরনের সমাজই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। মানবতার মুক্তির দিশারী কালজয়ী আদর্শ ইসলামের শ্রেষ্ঠত্ব আর সৌন্দর্য তো এখানেই নিহীত। তাই পরাজিত সাম্রাজ্যবাদী শক্তি ইসলামের শক্রূরা টার্গেট করেছিল মুসলমানরা যেন তাদের সেই সোনালী যুগ আবার ফিরে না পায়। তারা যেন সর্বদা ইসলামের সুমহান রাজনৈতিক চিন্তাধারা থেকে ‍দূরে সরে থাকে, তারা নামাজ, রোজা, হজ্জ্ব, কুরবানী ইত্যাদি আনুষ্ঠানিক ইবাদত-বন্দেগি নিয়ে যেন আত্মতৃপ্তিতে নিমগ্ন থাকে আর ইসলাম প্রতিষ্ঠার আন্দোলন, জিহাদ, আল্লাহর আইন, ইসলামের আলোকে সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন ইত্যাদি বিষয়গুলোকে তারা নিছক দুনিয়াদারী কিংবা হারাম কাজ মনে করে থাকে। তাইতো দেখা যায় আজ বাংলাদেশে ইসলামি রাজনীতি, ইসলামি আন্দোলন, ইসলামি প্রতিষ্ঠান, ইসলামি মিডিয়া ও আন্দোলনমূখী হক্বপন্থী আলেমগণকে কোণঠাঁসা করে রাখা বা এক প্রকার নিষিদ্ধ করে রাখার সুবর্নসুযোগে আন্তর্জাতিক ইসলামবিরোধী ষঢ়যন্ত্রের অংশ হিসেবে এদেশেও ইসলামবিরোধী মুসল্লির সংখ্যা দিনদিন আশংকাজনক হারে বেড়ে চলেছে। ইতিহাস স্বাক্ষী, ইসলামের শক্রূরা এ জন্য যুগেযুগে ভয়ানক সব নীলনকশার ছক এঁকেছিল এবং তাদের পরিকল্পনার সেই ছাঁচে প্রতিযুগে এ ধরনের বৈরাগ্যাবাদী পুতুলরূপী ইসলামবিরোধী মুসল্লি তৈরী হয়ে আসছে।

(17/02/2023)

 

 

Post a Comment (0)
Previous Post Next Post